ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬,

রাজনৈতিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি শিমুল ভোটের লড়াইয়ে

দৈনিক সবুজ নিশান | সফিকুল ইসলাম তাপস, মুন্সীগঞ্জ

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম

রাজনৈতিক, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি শিমুল ভোটের লড়াইয়ে

মুন্সীগঞ্জ : শেখ মোঃ শিমুল একাধারে রাজনৈতিক ব্যক্তি, সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি হিসেবে জেলার সকলের কাছে সুপরিচিত। 

এক নজরে প্রার্থী শেখ মোঃ শিমুল

জীবন বৃত্তান্ত : শেখ মোঃ শিমুল, জন্মঃ মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার ইউনিয়নের নয়াগাঁও পশ্চিম পাড়া এলাকায়। তার দাদা ছাবেদ আলী শেখ (ছাবেদ আলী) সুপরিচিত স্বনামধন্য ব্যক্তি ছিলেন। বাবা শেখ মোঃ সামছুদ্দিন ছিলেন সরকারী চাকুরীজীবি। মা মোসাঃ মাহফুজা খাতুন গৃহিণী যিনি জেলার একসময়ের ছাত্র ইউনিয়নের তোখড় ছাত্র নেতা পরবর্তীতে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জেলা শহরের খালিস্ট এলাকার বাসিন্দা এ্যাডভোকেট রাজামুজিবুর রহমান এর বড় বোন।

বাবা শেখ মোঃ শামসুদ্দিন নারায়ণগঞ্জ সোনাকান্দা বিআইডব্লিউটিএর ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে চাকুরীর সুবাদে সেখানেই সরকারি কোয়াটারেই স্ব-পরিবারে বসবাস করতেন। পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে চাকুরী থেকে অবসর পেলে স্ব-পরিবারে নিজ জেলা পৈত্রিক বাড়ি মুন্সীগঞ্জ নয়াগাঁও পশ্চিম পাড়া চলে আসান। ২০০২ সালে বাবা মৃত্যু বরণ করেন। তারা আট ভাই এক বোনের মধ্যে তিনি অষ্টম।

রাজনৈতিক জীবন : শেখ মোঃ শিমুল ছোটবেলা থেকেই শুভানুধ্যায়ী ও পারিবারিক ভাবেই সমাজতান্ত্রিক চিন্তার ভাবধারায় তাকে আকৃষ্ট করলে মুন্সীগঞ্জ জেলার তৎকালীন শ্রমিক নেতা কমরেড বাদশা খাঁ, কমরেড এ্যাডভোকেট শামসুজ্জামান মানিক দা সহ বেশ কয়েকজন নেতা কর্মীর সংস্পর্শে আসেন এবং তাকে আরো বেশী বাম চিন্তায় আকর্ষন করে। তিনি ৯০ দশকে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রীতে যুক্ত হন। পরে জেলা মাধ্যমিক স্কুল কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী'র জেলা কমিটির সদস্য এবং এরি ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রমৈত্রী'র জেলা কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে পরবর্তীতে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিটির প্রথমে প্রাথমিক সদস্য পরে পূর্নাঙ্গ সদস্য নির্বাচিত হন। এসময় জেলার বিভিন্ন পর্যায়ে সংগঠন গড়ে উঠে। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি সহ দেশের অপরাপর বাম রাজনৈতিক দল মিলে অর্থাৎ ১১ দলীয় বাম জোট দেশের গণমানুষের দাবীদাওয়ার আন্দোলন সংগ্রামে ব্যপক ভূমিকা রাখে। এরি ধারাবাহিক গত ২০০৪ সাথে যখন আওয়ামিলীগের সাথে ১১ দলীয় বাম জোট যুক্ত হয়ে ১৪ দলীয় জোট তৈরি করে ঠিক তখনই অর্থাৎ ২০০৪ সালেই তৎকালীন বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড খন্দকার আলী আব্বাস ও কমরেড সাইফুল হক সহ ৫ বাম নেতা বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির পাশাপাশি জেলা কমিটি ও ভেঙ্গে প্রথমে বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি(একাংশ) নামে পার্টির কার্যক্রম চালানো হয়। পরে আমরা বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি(একাংশ) নামে পরিবর্তে বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি নামি নিবন্ধিত হয়ে নতুন যাত্রা শুরু করে। তথন থেকে পার্টির জেলা কমিটির সদস্য থাকার ধারাবাহিকতায় পরবর্তীতে বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি'র মুন্সীগঞ্জ জেলা সম্পাদক কমিটির সম্পাদক নির্বাচিত হন শেখ মোঃ শিমুল। পার্টির জেলা সম্মেলনের মাধ্যমে বর্তমানে মুন্সীগঞ্জ জেলা কমিটির সম্পাদক নির্বাচিত হয়ে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি অনেক হামলা, হুমকি সহ নানা রকমের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছেন। কখনও রাজনীতি থেকে সড়ে দাঁড়াননি। তার অসীম সাহস ও সকলের ভালোবাসায় এবং পরিবর্তনের স্বপ্ন নিয়ে মেহনতী শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানবিক রাষ্ট্র গঠনে, প্রলেতারিয়াতের মুক্তি লক্ষ্যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।

শিক্ষা জীবন : ছোটবেলা থেকে রাজনীতি করতে গিয়ে নানা পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে গিয়ে লেখা পড়া প্রায় অনিশ্চয়তায় পড়ে গিয়ে ছিলো! তিনি নারায়ণগঞ্জ আই.ই.টি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি,  সরকারি আদমজীনগর এম. ডব্লিউ কলেজ নারায়ণগঞ্জ থেকে এইচএসসি ও নারায়ণগঞ্জ সরকারী তোলারাম কলেজ থেকে বিএসএস ডিগ্রি লাভ করেন। এখন তিনি আইন বিষয়ে পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ(পিইউবি) থেকে এলএলবি শেষ বর্ষে লেখাপড়া করছেন। 

সাংবাদিকতা : সামাজিক বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি তিনি প্রথমে মুন্সীগঞ্জের স্থানীয় একসময়ের জনপ্রিয় "সাপ্তাহিক মুন্সীগঞ্জ" পত্রিকায় ১৯৯৫ সাল থেকে সাংবাদিকতা শুরু করেন। পরবর্তীতে স্থানীয় অপর আরেকটি "সাপ্তাহিক মুন্সীগঞ্জ সংবাদ" পত্রিকায় ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠাকালীন সময় থেকে যুক্ত হন। এরি ধারাবাহিক পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে জাতীয় "দৈনিক খবরপত্র" পত্রিকায় মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে যোগদান করেন। পরে "দৈনিক আমাদের অর্থনীতি" এরি পাশাপাশি তিনি স্বনামধন্য টেলিভিশন চ্যানেল "বৈশাখী টেলিভিশন" পরে টেলিভিশন চ্যানেল "চ্যানেল এস" এবং "সাপ্তাহিক একতা" পত্রিকায় পরে ২০০৭ সালে স্বনামধন্য প্রথম নিউজ চ্যানেল "সিএসবি নিউজ" চ্যানেলে এর পাশাপাশি "দৈনিক মানবকন্ঠ" পত্রিকায়,  তৎকালীন জনপ্রিয় অনলাইন "বাংলামেইল২৪ডটকম", "লালসবুজেরকথা" ও "ঢাকাপ্রকাশ' এ একই পদে দ্বায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি  "দৈনিক ভোরের পাতা" ও জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল "আরটিভি" তে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি পদে দ্বায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়াও তিনি "মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাব" এর সাবেক নির্বাচিত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বর্তমানে "মুন্সীগঞ্জ প্রেসক্লাব" সিনিয়র সদস্য হিসেবে আছেন। এরি পাশাপাশি তিনি ঢাকার "ইয়ুথ জার্নালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ(ওয়াইজেএফবি) কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত ছিলেন। বর্তমানে ওই কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য পদে রয়েছেন।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক : শেখ মোঃ শিমুল পারিবারিক ভাবেই সংস্কৃতি পরিবারের সদস্য। পরিবারের সদস্যদের গান, কবিতা আবৃত্তি চর্চা ছিলো। ফলে ছোটবেলা থেকে এগুলি দেখে তিনি ৯০ দশকে প্রথমে মুন্সীগঞ্জ জেলা শিল্পকলায় সংঙ্গীত বিভাগে, অভিনয়ে ও পরে নৃত্য বিভাগে ভর্তি হয়। সেখান থেকেই শুরুহয় সাংস্কৃতিক পথচলা। ১৯৯১ সালে সামাজিক সংগঠন "সেবা পরিষদ" ১৯৯২ সালে "জুনিয়র থিয়েটার" এর সাথে যুক্ত হন তিনি। এরি ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি আয়োজিত অনুষ্ঠানে গান, অভিনয় ও নৃত্য পরিবেশন করে সমাদৃত হন। বিভিন্ন সম্মাননা অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি জেলায় প্রথম ও একমাত্র উচ্চাঙ্গসংগীতের সংগঠন "সারং সাংস্কৃতিক পরিষদ" প্রতিষ্ঠা করেন এবং সংগঠনের সভাপতি হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন। তিনি জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সহ-সভাপতি ছিলেন। তিনি সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সেবামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

রাজনৈতিক বিদেশ সফর : তিনি বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক সম্পাদক হওয়ায় তিনি ভারতের বাম রাজনীতির দল সিপিআই(এমএল) লিবারেশন পার্টির কংগ্রেসে পাঞ্জাব, দিল্লি, কলকাতায় পার্টির ডেলিকেট হয়ে সফর করা হয়েছে। এসময় সিপিআই(এমএল) লিবারেশন পার্টির কংগ্রেসে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। যা ভারতের স্বনামধন্য জাতীয় পত্রিকাগুলিতে গুরুত্বের সাথে প্রচারিত হয়েছে।

সম্মাননা পুরস্কার : ৯০ দশকে সংস্কৃতিতে ও নৃত্যে অবদানে "হিরণ কিরণ সংগঠন কর্তৃক সম্মাননা স্মারক(ক্রেস্ট) প্রদান। সাংবাদিক বিশেষ অবদানে "বিক্রমপুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী" এবং ইয়ুথ জার্মালিস্ট ফোরাম বাংলাদেশ(ওয়াইজেএফবি) হতে সম্মাননা স্মারক(ক্রেস্ট) প্রদান। রাজনীতিতে ভারতের মাটিতে সিপিআই(এমএল) লিবারেশন পার্টির কংগ্রেসে সম্মাননা স্মারক(ক্রেস্ট) প্রদান করেন। 

সবশেষে : মুন্সীগঞ্জ-৩ (মুন্সীগঞ্জ সদর ও গজারিয়া) আসনের  এলাকার ও প্রিয় ভোটারগণের উদ্দেশ্যে শেখ মোঃ শিমুল এর কিছু কথা-

দেশ আজ পরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে।
মানুষ আর লুটপাট, দুর্নীতি, দুঃশাসন ও বৈষম্যের রাজনীতি চায় না—
চায় শান্তি, ন্যায়বিচার ও সম্মানের জীবন।
আমি শেখ মোঃ শিমুল,
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি ও গণতন্ত্র মঞ্চের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
কোদাল প্রতীক নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি।
কোদাল শুধু একটি প্রতীক নয়—
এটি শ্রমের মর্যাদা,
কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের অধিকার,
এবং শোষণমুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার।
আমার রাজনীতি ক্ষমতার জন্য নয়,
আমার রাজনীতি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য।
আমি কথা নয়—কাজের রাজনীতি করতে চাই।

আমি অঙ্গীকার করছি—
* দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে আপসহীন লড়াই করে যাবো।
* নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ ও বাজার সিন্ডিকেট ভাঙবো।
* কৃষক ও শ্রমিকের ন্যায্য মূল্য ও মজুরি নিশ্চিত করবো।
* প্রবাসী ভাই-বোনের পরিবারের সম্পত্তি জবরদখ ও সকল হয়রানি বন্ধ ও তাদের মর্যাদাপূর্ণ সেবা নিশ্চিত করবো।
* তরুণদের কর্মসংস্থান ও একটি মানবিক গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে লড়বো। 

* ভাঙা রাস্তাঘাট নয়, নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা। 
* গ্যাস সংকটের স্থায়ী সমাধান। 
* লোডশেডিং নয়, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ। 
* ভোগান্তি নিরসনে অল্প সময়ে ঢাকা যেতে মুন্সীগঞ্জে মেট্রোরেল নির্মাণ।
* গজারিয়ার সাথে সড়ক যোগাযোগে মেঘনা নদীর উপর সেতু নির্মাণ। 
* দখলবাজি নয়, মানুষের অধিকার নিশ্চিত করণ।
* মাদক নয়, যুবসমাজের ভবিষ্যৎ গঠন।
* মব নয়, আইনের শাসন ও নাগরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। 

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য—আমার অগ্রাধিকার প্রদান-

* স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন করা।
* সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ডাক্তার, ওষুধ ও আধুনিক সেবা নিশ্চিত করা।
* মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। 
* স্কুল–কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়ন করা। 
* একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন। 
* শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দলবাজি ও সহিংসতা বন্ধ করা। 
* রাজনৈতিক দমন-পীড়ন বন্ধ করে নিরাপত্তা ও মানবিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা।

নাগরিক নিরাপত্তায় আমার ভাবনা-

* নারী, শিশু ও সকল সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
* মানবিকতা, সম্প্রীতি ও সামাজিক ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা। 
* অন্যায়ের বিরুদ্ধে চুপ নয়—সংগ্রাম ও লড়াই চালিয়ে যাওয়া।

সোজা কথা
* ভোটের আগে–পরে সবসময় জনগণের পাশে থাকবো।
* অন্যায়ের বিরুদ্ধে, ইনসাফর প্রতিষ্ঠায় রাস্তায় থাকবো। 
* লুট নয়—স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে লড়বো।

এই নির্বাচন শুধু একজন প্রার্থী বেছে নেওয়ার নয়, এটি ভবিষ্যৎ বেছে নেওয়ার নির্বাচন।
আসুন,
অন্যায় ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে
পরিবর্তনের পক্ষে
কোদাল মার্কায় ভোট দিন।
ইনসাফভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক সমাজ গড়তে
আপনাদের পাশে আছি—
থাকবো রাজপথে, থাকবো সংসদে।

পনার ভাবনাও যদি এই হয়, তাহলে "কোদাল" এ ভোট দিয়ে আমার অঙ্গীকার ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সুযোগ দিন।

এমটিআই

দৈনিক সবুজ নিশান

Madrasatun Nur Al Islamiyyah Mossharrof Hossain
Tasneem Sinha
Projapoti Holdings Ltd
Link copied!