ঢাকা : শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের ১৫ চিনিকলের মধ্যে ৬টি বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। সরকার বন্ধ থাকা এসব চিনিকলসহ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় চালুর উদ্যোগ নিতে চায়।
শনিবার (৯ মে) দুপুরে পঞ্চগড় সুগার মিল পরিদর্শন এবং আখচাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, বন্ধ মিলগুলো চালু হলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, রাজস্ব আহরণের সুযোগ বাড়বে এবং সরকার ও দেশের জনগণ উভয়ই উপকৃত হবে। পাশাপাশি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে এবং মিলগুলোর কারণে সৃষ্ট ঋণ পরিশোধের পথও উন্মুক্ত হবে।
তিনি আরও বলেন, চিনিকলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আখচাষি ও শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে মিলটি যাতে লাভজনকভাবে পরিচালিত হয় এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় না ঘটে, সে বিষয়েও সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। মিলগুলোর সংস্কার ও আধুনিকায়নের সম্ভাবনা এবং বিকল্প উপায়গুলোও খতিয়ে দেখা হবে।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, এই এলাকার (পঞ্চগড়ের) মানুষের জন্য এই চিনিকলটি যেরকম একটা আবেগের বিষয়, প্রত্যেকটা এলাকায় সংশ্লিষ্ট মানুষ প্রত্যেকের জন্যই কিন্তু তার তার শিল্প-কারখানা আবেগের বিষয়। কারণ যখন সেগুলি চালু ছিল, তারাই কর্মসংস্থানের সুবিধাটা তারাই ভোগ করেছেন। এজন্য প্রত্যেকটা জায়গায় প্রত্যেকটা মিল আবেগের বিষয়। আপনাদের আবেগের বিষয়টা আমরাও উপলব্ধি করি।’
এর আগে পরিদর্শন এবং আখচাষিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএসএফআইসি এর চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির, শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব ওবায়দুর রহমানসহ মিল সংশ্লিষ্টরা। এসময় দ্রুত বন্ধ চিনিকল চালুর দাবিতে শিল্পমন্ত্রীর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে মিলের শ্রমিক ও কর্মচারীরা।
এমটিআই
