ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬,

পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চান সরকারি কর্মচারীরা

বর্তমান সংবাদ | নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্চ ৩০, ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম

পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ চান সরকারি কর্মচারীরা

ঢাকা : সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান চেয়ে নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও তা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটি এ সংক্রান্ত ১০ দফা দাবি উত্থাপন করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।

রোববার (২৯ মার্চ) সংগঠনটির আহ্বায়ক আবদুল মালেক এবং সদস্য সচিব আশিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো এক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাষ্ট্র পরিচালনা, জনসেবা প্রদান ও নীতি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও দীর্ঘদিন ধরে তাদের ন্যায্য দাবি বাস্তবায়ন হয়নি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, পদোন্নতিবঞ্চনা এবং ব্লক পোস্ট সমস্যার কারণে কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, দীর্ঘ ১১ বছরে দুইটি পে স্কেল পাওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত একটি পে স্কেলও বাস্তবায়ন হয়নি। এ পরিস্থিতিতে নিম্ন বেতনভুক্ত কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সরকারি কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার ও কল্যাণ নিশ্চিত করা গেলে প্রশাসনের দক্ষতা ও মনোবল আরও বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করে সংগঠনটি।

এ কারণে ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ চাওয়া হয়েছে, যাতে তারা সরাসরি তাদের দাবি ও বাস্তব পরিস্থিতি তুলে ধরতে পারেন।

সংগঠনটির উত্থাপিত ১০ দাবি হলো-

১. অবিলম্বে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়ন করা।
২. সার্ভিস বেনিফিটসহ টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল।
৩. ব্লক পোস্ট সমস্যা সমাধান করে পদোন্নতির পথ সুগম করা।
৪. কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পরিবারের স্বাস্থ্য ও আর্থিক নিরাপত্তা বৃদ্ধি।
৫. কর্মকর্তা-কর্মচারীর দক্ষতা ও মানসিক কল্যাণ বৃদ্ধি।
৬. স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে অযাচিত পোস্টিং ও পদোন্নতির বাধা দূর করা।
৭. সমন্বিত অভিযোগ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা : সমস্যা সমাধানের জন্য দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা।
৮. নাগরিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দৈনন্দিন জীবন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
৯. প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন প্রগ্রাম : কর্মকর্তা-কর্মচারীর দক্ষতা ও মানসিক কল্যাণ বৃদ্ধি করা।
১০. স্থানান্তর ও পোস্টিং নীতি : স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে অযাচিত পোস্টিং ও পদোন্নতির বাধা দূর করা।

এমটিআই

বর্তমান সংবাদ

Link copied!