ঢাকা : স্কোয়াডের শক্তি আর পেছনের পারফরম্যান্স বিবেচনায় বিশ্বকাপ ঘিরে খুব ভালো কিছুর সম্ভাবনা আসলে ছিল না; তবুও ব্রাজিলিয়ানদের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন কার্লো আনচেলত্তি। তবে মাঠের ফুটবলে সেই স্বপ্ন আর বাস্তবতা এক বিন্দুতে মেলেনি। ভীষণ হতাশাময় আসর শেষের পর, আগামী বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবতে শুরু করেছেন আনচেলত্তি। তার সেই পরিকল্পনায় জায়গা নেই ‘বয়স্কদের’, তেমন কয়েক জনের নামও জানিয়েও দিলেন কোচ।
উত্তর আমেরিকায় স্পেনের শিরোপা জয় দিয়ে শেষ হয়েছে এবারের বিশ্বকাপ। ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয় অনেক আগে; শেষ ষোলোয় নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরে যায় পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
পরের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে ২০৩০ সালে। মাঝের সময়টা বেশ লম্বাই বলা যায়; তবে এখন থেকেই পরিকল্পনা সাজাতে চান আনচেলত্তি। আর তাই, আজকের খেলোয়াড়দের চার বছর পরের বয়সটা বিবেচনায় নিয়েই ভাবতে চান তিনি।
আমার মনে হয়, এবারের বিশ্বকাপের সঙ্গে অনেক গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ের জাতীয় দল অধ্যায় শেষ হয়ে গেছে। (তালিকাটা) নেইমারকে দিয়েই শুরু করা যায়। এছাড়া দানিলো, কাজেমিরো, বিশ্বকাপে এদের সবার বয়স ছিল ৩০ বছরের বেশি।
বলছি না যে, স্কোয়াডের ২৬ জনের সবাইকে বদলে ফেলব আমি। গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজনকে ধরে রাখব আমরা, যারা দলে কাজ চালিয়ে যেতে পারে, মার্কিনিয়োসের মতো। আমার মনে হয়, তাদের দলে থাকা বর্তমান পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা ধরে রাখার একটা ইঙ্গিতও হতে পারে। তবে মূল ভাবনা হলো বদল আনার, নতুন প্রজন্মকে জায়গা দেওয়ার।
নতুন পরিকল্পনায় ব্রাজিল যাত্রা শুরু করবে আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে। ওই সময়ে তিনটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে সেলেসাওরা। আপাতত বিশ্বকাপ পরবর্তী প্রথম স্কোয়াড তৈরির কাজ করছেন আনচেলত্তি।
কয়েক জন তরুণ খেলোয়াড় এরই মধ্যে ব্রাজিলের হয়ে খেলেছে, এস্তেভোঁ, হায়ান, এন্দ্রিক- এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ভিতো হাইসের কথা। খেলোয়াড়দের নাম বলাটা বেশ জটিল। ব্রাজিলে অনেক তরুণ খেলোয়াড় আছে, অনেক গোলরক্ষক আছে যারা জাতীয় দলে খেলার মান ও সম্ভাবনা দেখিয়েছে।
এমটিআই
